সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাঃ
ধারা-১: সংক্ষিপ্ত শিরোনাম :
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কার্যকর হয় ১লা মে, ১৮৭৭ তারিখ হতে-
ধারা-৪: সংরক্ষণ:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন দলিলাদির উপর রেজিষ্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করতে পারে না-
ধারা-৫: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার যেভাবে প্রদান করা হয়:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে পাঁচ প্রকারের প্রতিকার প্রদান করা হয়- যেমন:- (১) সম্পত্তির দখল গ্রহন করে তা দাবিদারকে অর্পণের মাধ্যমে,
(২) যে কাজ করার দায়িত্ব আছে তা ক রার আদেশের মাধ্যমে,
(৩) যে কাজ না করার বাধ্যবাধকতা আছে তা করা থেকে বিরত রাখার মাধ্যমে, (৪) ক্ষতিপূরনে আদেশ বাদে অন্য কোনো অধিকার নির্ণয় ও ঘোষনার মাধ্যমে এবং (৫) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে -
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় না-
ধারা-৬ : নিরোধক প্রতিকার:
নিরোধক প্রতিকার বলতে যা না করার দায় দায়িত্ব আছে তা করা হতে বিরত রাখার নির্দেশকে বুঝায়-
ধারা-৭ : শাস্তিমূলক আইন কার্যকরী করতে প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মামলায় শাস্তি মূলক প্রতিকার চাওয়া যায় না-
ধারা-৮ : সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি তা পুনরুদ্ধার করতে পারে
ধারা-৯ : স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়া ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যায় না-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্বত্ব বা মালিকানার প্রমাণ ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করা যায় -
স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা অর্থাৎ ৯ ধারার মামলা দায়ের করতে হয় বেদখলের ৬ মাসের মধ্যে-
৯ ধারা অনুসারে দায়েরকৃত মামলার ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ দায়ের করা যায় না-