অধ্যায়-১
সংক্ষিপ্ত ব্যাখাঃ
ফৌজদারি কার্যবিধি প্রবর্তন করা হয় ১৮৯৮ সালে –
ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ ধারাটি হলো ৫৬৫-
ধারা-০৪ : সংজ্ঞাসমূহ- ফৌজদারি কার্যবিধিতে
এডভোকেটের সংজ্ঞা ৪(১) ক) ধারায়—
জামিন যোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা ৪(১) খ) ধারায় -
আমলযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া আছে ৪(১) (ঢ) ধারায়-
বিভিন্ন শব্দ বা অভিব্যক্তির সংজ্ঞা ৪ ধারায়-
এটর্নী-জেনারেল এর সংজ্ঞা ৪(ক-ক) ধারার-
ইনকোয়ারি (অনুসন্ধান) এর সংজ্ঞা ৪(ট) ধারার
অপরাধের সংজ্ঞা ৪ (ণ) ধারার-
ফৌজদারি কার্যবিধি মোতাবেক দায়রা আদালত স্থাপিত হবে প্রত্যেক দায়রা বিভাগে- জামিনযোগ্য অপরাধের তালিকা ফৌজদারি কার্যবিধি দ্বিতীয় তফসিলের ৫ম কলামে দেখানো হয়েছে-
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে নালিশ বলতে এইরূপ অভিযোগ বুঝায় যা লিখিত বা মৌখিক ভাবে পেশ করা হয় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট-
‘রাষ্ট্রীয় কেরানি’ নিযুক্ত হন প্রধান বিচারপতি কর্তৃক-
তদন্ত বলতে মূলত বুঝায়- আমলযোগ্য মামলায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহ করা- কোনো পরিচিত বা অপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট লিখিত বা মৌখিকভাবে যে অভিযোগ করা হয় তাকে বলা হয় নালিশি মোকদ্দমা-
শপথসহ সাক্ষ্য গ্রহণ করার ক্ষমতাটি বিশেষভাবে বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমেই প্রয়োগ করা যায়-
ধারা-৪ক:
পদ বৈশিষ্টের উল্লেখ ছাড়াই ম্যাজিস্ট্রেট শব্দ উল্লেখ থাকলে তা দ্বারা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে বুঝাবে-
ফৌজদারি কার্যবিধি প্রবর্তন করা হয়—