দণ্ডবিধি-১৮৬০
দণ্ডবিধি আইন প্রকাশিত হয় ১৮৬০ সালের ০৬ অক্টোবর এবং তা ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি হতে 'দণ্ডবিধি, ১৮৬০' নামে কার্যকর হয়। এই আইন উক্ত সালের ৪৫ নম্বর আইন। এটি একটি মূল আইন (Substantive Law)। এতে বর্তমানে ৫১১টি ধারা আছে। এই আইনে অপরাধের সংজ্ঞা এবং অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে বিধান বর্ণনা করা হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত ব্যাখাঃ
- দণ্ডবিধি ১৮৬০ প্রবর্তন করা হয় ১৮৬২ সালে-
- দণ্ডবিধির সর্বশেষ ধারা নং ৫১১-
অধ্যায়-২: সাধারণ ব্যখ্যাসমূহ
ধারা-৬: এই বিধানের সংজ্ঞাসমূহের অর্থ ব্যতিক্রমসমূহ সাপেক্ষে বুঝতে হবে:
ধারা-৭: একবার ব্যাখ্যাকৃত অভিব্যক্তির তাৎপর্য:
- দণ্ডবিধিতে কোনো অংশে ব্যাখ্যাকৃত কোনো অভিব্যক্তির তাৎপর্য আইনের প্রত্যেক অংশের জন্য প্রযোজ্য হবে-
- দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অভিব্যক্তির ব্যাখ্যা অধ্যায়ে-২ এ বর্ণিত হয়েছে-
ধারা-১৯ : 'জজ' এর সংজ্ঞা
কোনো অভিযোগ সম্পর্কে এক্তিয়ার প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেট যার ক্ষমতা হলো অভিযোগটি বিচারের জন্য অন্য আদালতে প্রেরণ করার তিনি জজ বলে গণ্য হবেন না-
ধারা-৩৪: কতিপয় ব্যক্তি কর্তৃক সাধারণ অভিপ্রায় বাস্তবায়নকল্পে কৃত কার্যাবলি:
- অপরাধমূলক কার্য সংগঠনের সাধারণ অভিপ্রায় সম্পর্কে ৩৪ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে-
- সাধারণ অভিপ্রায় পূরণ কল্পে কমপক্ষে সদস্য সংখ্যা ২ জন হতে হবে-
- দণ্ডবিধির ৩৪ ধারার অপরাধে জড়িত ব্যক্তি প্রত্যেকে এমন ভাবে দায়ী হবে যেন কাজটা সে একাই করেছে-
- ৩৪ ধারার মূল উপাদান হলো একাধিক ব্যক্তির একটি সাধারণ অপরাধমূলক কাজ করার পরিকল্পনা-
- অপরাধমূলক জ্ঞান বা অভিপ্রায় সহকারে কতিপয় ব্যক্তি অপরাধমূলক কার্যটি সম্পাদন করলে ৩৫ ধারার বিধান মতে অনুরূপ ব্যক্তিগণের প্রত্যেকে উক্ত কাজের জন্য সমানভাবে দায়ী হবেন-
ধারা-৩৯: স্বেচ্ছাকৃতভাবেঃ
- 'ক' দস্যুতা অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে রাত্রিকালে কোনো লোকালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। সে জানে যে এরূপ কাজে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটার সম্ভাবনা আছে। উক্ত আগুন দেওয়ার ফলে 'চ' এর মৃত ঘটে। এই ক্ষেত্রে 'ক' স্বেচ্ছাকৃতভাবে 'চ' এর মৃত্যু ঘটিয়েছে-
ধারা-৪১ : বিশেষ আইন:
'বিশেষ আইন' হচ্ছে বিশেষ বিষয়ের প্রতি প্রযোজ্য আইন-
ধারা-৪২: স্থানীয় আইন:
'স্থানীয় আইন' হচ্ছে কেবল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত কোনো বিশেষ অংশে প্রযোজ্য আইন।
ধারা-৫০ ধারা:
'ধারা' বলতে এই বিধির যে কোনো অধ্যায়ের অংশসমূহের এক একটিকে বুঝাবে, যার পূর্বে সংখ্যাবাচক অংকসমূহ যুক্ত করে স্বতন্ত্র করা হয়েছে।
ধারা-৫২: সদবিশ্বাসঃ
যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোনো কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।